About Us

Pellentesque vitae lectus in mauris sollicitudin ornare sit amet eget ligula. Donec pharetra, arcu eu consectetur semper, est nulla sodales risus, vel efficitur orci justo quis tellus. Phasellus sit amet est pharetra, sodales ipsum et, sodales urna. In massa nisi, faucibus id egestas eu, fringilla

গরম পানি পানের কিছু অবিশ্বাস্য উপকারিতা

Search This Blog

১ দিনেই সারিয়ে তুলুন ব্রণ !

ঠোঁটে ধূমপানজনিত কালচে দাগ দূর করার উপায়

Everyday Benefits Of Eating Tomatoes (টম্যাটো খান প্রতিদিন) :-

Subcribe

ইসলাম ধর্মে কোন কোন নারীকে বিবাহ করা হারাম

Translate

Popular Posts

All Time Popular

Sunday, 15 July 2018

Benefits of fruits and Vegetable Healthy fruits,food


গাছ -গাছড়া ও ফল মূলের ভেষজ গুনাগুন
শশা -কচি শশা দাহ পিত্তনাশক। শশা বীচির জল খাওয়ালে বমি ও হিক্কা নিবারিত  হয় শশাবীজ পিত্তদোষ নষ্ট করে এবং মত্রকচছ প্রশমিত করে। কিন্তু পাকা শেষ পিট বৃদ্ধিকারক।
     ফলসা -তৃপ্তিকর ,শ্রম শান্তিকর এবং পিত্তদাহ ও বায়ুনাশক।

    কয়েতবেল -কাঁচা ক্যাটবেল প্রলেপ দিলে চুলকানি নাশ হয়। পিপাসা ও হিক্কা নাশ করে ,বায়ু প্রশমক ও ধারক কিন্তু গুরুপাক
    তাল -কচি তালের জল হিকক্কার অমোঘ ওধুধ ও বাত।,পিত্তে হিতকর। পাকা তাল অজীর্ণকারক। তালের  আঁটির শ্বাস শীতল মত্র বৃদ্ধিকারক ,কফনাশক কিন্তু দুষ্মপাচ্য। অজীর্ণ রোগীর শাঁস খাওয়া অনুচিত। রক্তুবমি ও বাহ্যে রক্ত পড়লে তালশাঁসের রস খাওয়ালে উপকার পাওয়া যায়।
আঙুর -পিপাসা ,জ্বর ,শ্বাস ,বাত ,বাত রক্ত ,কামলা ,মত্রকৃচ্ছ্র দাহ ,শোথ প্রভৃতি রোগ নাশক। এ -বিষয়ে একটি কথা মনে রাখবেন আঙুর কখনো না ধুয়ে খাওয়াবেন না।
আপেল -কাঁচা আপেল খেলে রক্তবৃদ্ধি হয়। রোজ  একটি করে আপেল খাওয়া স্বাহ্যের পক্ষে উপকারী জীবাণু নষ্ট করতে এবং বিষ দূর করতে ,তার বিশুদ্ধতা রক্ষা করতে আপেল বিশেষ উপকারী। সকালে খালি পেটে বা খাওয়ার পরে আপেল খায়া ভালো। যারা মাদক\দ্রব্য সেবনে অভ্যস্ত ,তারা আপেল খেলে মাদক দ্রব্য বর্জন করার স্পৃহা নাশ করে। আপেল গুরুপাক ,তাই যাদের হজম করার ক্ষমতা কম তাদের আপেল খাওয়া উচিত নয়।
ন্যাসপতি - স্নিদ্ধ ,তৃষা নিবারক ও যকৃতের ত্রিয়াবর্ধক
ডালির -মধুর স্বাদযুক্ত দালির বায়ু ,পিট ,কফ ,পিপাসা দাহ ,জ্বর ,হ্দদরোগ ,কন্ঠগত রোগ ,মুখের রোগ ,শুক্রবর্ধক,মেধা ও বলবর্ধক। এছাড়া আমাশয়ে ,অতিসারে ,অজীর্ণে ,আমাজীর্ণে ,রক্তপ্রদরে ,গর্ভস্ক্রাবে ,কৃমিতে ও আগ্নিমান্দ্যে উপকার পাওয়া যায়।
খেজুর -খেজুর কষ্টগত বায়ু বাত্দোষ ,জ্বর ,ক্ষুধা ,তৃস্না ,কাশি ,শ্বাস ,মূর্ছা ইত্যাদি রোগের বিশেষ উপকারী। খেজুর সহজে হজম হয় না। তাই যাদের পেটের রোগ আছে তাদের কাছে খেজুর অপকারী। আবার যারা সুস্থ স্বাস্থ্যের অধিকারী এবং যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তাদের কাছেও উপকারী।
কুল -কাঁচা কুল পিত্ত ও কফ বৃদ্ধি করে ,পাকা কুল রেচক ও কফ বৃদ্ধি করে। শুকনো কুল তৃষ্ণা ও দাহ নাশ করে ,বল বৃদ্ধি করে ,খিদে বাড়ায়।
তেঁতুল -ভারতের সকল প্রদেশেই তেঁতুল গাছ দেখতে পাওয়া যায়। তেঁতুল গাছের ছাল ,পাতা ,কাঁচা ও পাকা ফলের বীজের শাঁস নানা ঔষধে ব্যাবহৃত হয়। তেঁতুলমেহ ও খোসাও অনেক কাজে ব্যাবহৃত হয়। কাঁচা অবস্থায় খেলে কফ ও পিত্ত বৃদ্ধি হয়। পাকা তেঁতুল রুচি আনে ও অগ্নিবৃদ্ধি করে। কাঁচা তেঁতুল আগুনে সেদ্ধ করে প্রলেপ দিলে ,বাত বেদনার স্ফীতিতে উপকার হয়।পাকা তেঁতুল পুরানো হলে আমাশয়ের উপকার হয়।  এছাড়াও বাতের ব্যাথায় ,প্রসবের জ্বালায় ,পুরাতন আমাশয়ে ,আমবাতে ,অর্শ হলে মুখে ক্ষত হলে ,হাত -পা জ্বালা করলে।
আম -আম মধুর সঙ্গে খেলে ক্ষয়রোগ হয় ,প্লীহা ও বাত শ্লেষ্মা রোগ প্রশমিত হয় ,আমের সঙ্গে ঘি মিশিয়ে খেলে পিত্ত প্রশমিত হয়। আমের আঁটির ভেতর শাঁস অতিসার রোগনাশক। শিশুদের আমাশয় রোগে আমের আঁটির শাঁস বেটে নাভির চারপাশে প্রলেপ দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়। আমের আঁটির শাঁস ২৫ গ্রাম মাত্রায় মধুর সঙ্গে নেড়ে খেলে বমি বন্ধ হয়। কাঁচা আম পুড়িয়ে খেলে "লু "লেগে শরীর খারাপ হলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
পেঁপে -স্বাস্হ্য সহায়ক গুন্সমুদ্ধ পেঁপের তুল্য ফল নেই। এছাড়া যাদের যকৃত খারাপ, যাঁরা অর্থ রোগে নিয়ত কষ্ট পাকা, অজীর্ণ রোগে ভোগেন না কষ্ট কাঠিন্য আছে, তাদের পক্ষে কাঁচা বা পাকা যে কোনো পেপেইউপকার, শিশুরোগেও বেশ উপকারী। 
তরমুজ -পিত্তকারক ও বায়ুনাশক। 
আনারস  -মধুর তৃপ্তিদায়ক ও ক্রিমিনাশক কিন্তু গুরুপাক। আনারস পাতার গোড়ার দিকটার রস খেলে ভেদ বমি বন্ধ হয় এবং কৃমি নাশ করে। তবে গর্ভিনীদের আনারস খোয়া উচিত নয়। তাতে গর্ভপাত হতে পারে। 
পেয়ারা -বলকারক ও পুষ্টিজনক কিন্তু গুরুপাক। কষ্ট বদ্ধতাগ্রস্হ রোগীকে পেয়ারা খেতে দিলেও অজীর্ণ রোগীকে কখনও বীচি সমেত পেয়ারা খেতে দেওয়া উচিত নয়। 
আতা -বলকারক, পুষ্ঠজনক এবং রক্তুবর্ধক কিন্তু গুরুপাক।দাহ, তৃষা, গা বমি বমিভাবে আতা খেলে ভালো ফল পাওয়া যায় 
সুপারি -রুচিকারক, পিত্ত ও মুখের বিরসতানাশক। কাঁচা সুপারিত দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পে। সুপারি পুড়িয়ে গুঁড়ো করে সেই গুঁড়ো দিয়ে ডট্ মাজলে দাঁতের গোড়া শক্ত হয়। যে সুপারির মাকমলা কখান শক্ত সেই সুপারি খেলে ভালো হয়।  
নারকেল -নারকেলের সব অংশই কাজে লাগে। কিছুই ফেলা যায় না। ডাব ও ঝুনো উভয়ই উত্তম খাদ্য। ঝুনো নারকেলে ভিটামিন এ ও বি আছে। কচি ডাবের শাসে, বি,সি,ও ডি আছে। এছাড়া ডিসপেসিয়া , মূলে ও অম্লপিত্ত], পাথুরীরোগে , নাক দিয়ে রক্ত পড়লে ক্রিমি রোগে , হিক্কা বা বমিতে উপকারী। 
কদলী -শরীরের পুষ্টি সাধনে আঙুলের পরেই যে ফলের নাম করা যায় তা হল কলা। লেবু , কমলা,অনার্স উপকারী, কিন্তু কলার তুল্য নয়। কলাতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ,বি,সি,ডি বর্তমান। কলা ম্যাগনেসিয়াম , লোহা,তামা ও শরীরের লোহিত্যিনিক বৃদ্ধি করে। কলার মধ্যে প্রধান উপকারী উপাদান হল শর্করা ও চিনি। 
লেবু - সাধারণত ৫প্রকার লেবু দেখতে পাওয়া যায়। কমলা লেবু , নারঙা লেবু,পাতিলেবু , কাগজী লেবু ও বাতাবি লেবু। যাদের হিক্কা , তৃষা ও বিমান রোগ আছে তাদের পক্ষে লেবু খবুই উপকারী। এছাড়া যকৃত ও পিত্তদোষে , স্বরভঙ্গে , জ্বরে মাথা ধরায় , বিষাক্ত পোকা -মাকড়ের কামড়ে,শিশুর কাশিতে , দেহত্বকর কালো দাগে , কেশ বর্ধনে উপকারী। 
আমড়া -আমড়া গাছের মূলত্বকরে রস ২চা চামচ মাত্রায় নিয়ে সামান্য চিনি সহযোগে খেলে শুক্রের ানে। রক্ত আমাশয়ে আমড়া গাছের ছালের উপকার কিঠন অংশ বাদ দিয়ে ভেতরের কোমল অংশ ৫গ্রাম পর্যন্ত নিয়ে টাটকা দেয়ের সঙ্গে পেশন করে রোগীকে দিনে ৩ বার সেবন করলে ৭ দিনেই রক্ত আমাশয় নিরাময় হয়।
জাম -পুরনো অতিসারে , গ্রহণই,রোগ, রক্ততিসারে রক্ত আমাশয়ে , অরুচি ও অক্ষুধায় , বমিতে,ক্ষততে , দাঁতের মাড়ির ঘায়ে , মুখের রোগে,বহুমূত্র রোগে,তৃষা রোগে জাম খুবই উপকারী। 

0 on: "Benefits of fruits and Vegetable Healthy fruits,food"

thank you for comment

#এনাকে চেনেন ?জানতে ক্লিক করুন #

Nusrat Jahan, Height, Weight, Age, Husband, Family, Biography & Wiki

নুসরত জাহান জীবন বৃত্তান্ত : আসল   নাম  :- নুসরাত জাহান  ।    ডাকনামঃ নায়না,রুহি  । জাতিসত্তা : বেঙ্গলি।  পেশা       :-  অ...