Sunday, 8 April 2018

Some Important question of muslim Life -1 মুসলিম জীবনের গুরুত্ব পূর্ন জিঞ্জাসা ?

মুসলিম জীবনের গুরুত্ব পূর্ন জিঞ্জাসা ?
  1. মুসলিম ব্যক্তি কথা থেকে নিজের আক্বীদা -বিশ্বাস গ্রহণ করবে ? আল্লাহর কিতাব এবং নবী( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুন্নাত থেকে মুসলিম ব্যক্তি নিজের আক্বীদা -বিশ্বাস গ্রহণ করবে। কেননা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কখনো নিজের পক্ষ থেকে কোন কথা বলেন না। আল্লাহ বলেন "তিনি যা বলেন ,তা তো কেবল ওহী নির্দেশ , যা তার কাছে ওহী করা হয়। (সূরা নাজম :৪)তবে এই গ্রহণ ছাহাবায়ে কেরাম\ও সালাফে সালেহীনের ব্যাখ্যা ও নীতি অনুযায়ী হতে হবে। 
  2. যদি আমরা মতানৈক্য করি ,তাহলে কিভাবে তার সমাধান করব ? সে ক্ষেত্রে আমরা সুমহান শরীয়তের স্মরণাপন্ন হব। আল্লাহর কিতাব কুরআন ও নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সুন্নাত থেকে তার সমাধান গ্রহণ করব। সেই নির্দেশ না দিয়ে মহান আল্লাহ এরশাদ করেন :"তোমরা কোন বিষয়ে মতবিরোধে করলে বিষয়টিকে আল্লাহ ও তার রাসূলের দিকে প্রত্যাবর্তন কর। "    (সূরা নিসা : ৫৯) নবী  (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )বলেন :" আমি তোমাদের মাঝে দুটি  বস্তু রেখে যাচ্ছি ,যতদিন তোমরা উহা আঁকড়ে ধরে থাকবে পথভ্রষ্ট হবে না আল্লাহর কিতাব ও তার নবী  (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )এর সুন্নাত 
  3. কিয়ামত দিবসে নাজাত প্রাপ্ত দল কোনটি হবে ? রাসূলুল্লাহ  (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেন :"আমরা উম্মাত তেহাত্তর দলে বিভক্ত হবে। এর মধ্যে একটি দল ছাড়া সবাই জাহান্নামে তবে। তাঁরা বললেন: কোন দলটি হে আল্লাহর রাসূল ? তিনি বললেন: যারা আমি এবং আমার ছাহাবীদের নীতির উপর প্রতিষ্টিত থাকবে তারাই শুধু জান্নাতে যাবে।"( তিরমিযি।,হা /২৬৪১)                                                                                              অত এব হক বা সত্য হচ্ছে সেটাই , যার উপর নবী  (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এবং তাঁর ছাহাবীগণ প্রতিষ্টিত ছিলেন। তাই নাজাত পেতে চাইলে, আমল কবুল হওয়ার আসা করলে তাঁদের অনুসরণ করতে হবে এবং বিদআত থেকে সাবধান থাকতে হবে। 
  4. সৎ আমল কবূল হওয়ার শর্ত  কি কি ? আমল কবূল হত্যার শর্ট হচ্ছে: (১) আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা ও তাঁর তাওহীদের স্বীকৃতি প্রদান করা। মুশরিকের কোন আমল কবূল করা হবে না। (২)ইখলাছ বা একনিষ্ঠতা। আর্থা নেক আমল দ্বারা শুধু মাত্র আল্লাহর সন্তষ্টির ইচ্ছা করা। (৩) উক্ত আমল করার সময় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )এর অনুসরণ করা অর্থা আমলটি তাঁর আনিত শরীয়ত মোতাবেক হতে হবে। কাজেই তিনি যে নিয়ম -নীতি প্রণয়ন করেছেন , সেই মোতাবেক আল্লাহর ইবাদত করতে হবে। উক্ত তিনটি শর্তের কোন একটি নষ্ট হলে আমল প্রত্যাখ্যাত হবে। আল্লাহ হলেন: "আমি তাদের কর্তকর্মগুলো বিবেচনা করবো , অত:পর সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধূলি -কণায় পরিণত করবো। " (সূরা ফুরকান -২৩)
  5. ইসলাম ধর্মের স্তর কয়টি ও কি কি? র্মের স্তর তিনটি। (১) ইসলাম (২) ঈমান ও (৩) ইহসান।  
  6. ইসলাম কাকে বলে ? এর রুকন কয়টি ও কি কি ? ইসলাম হলো তাওহীদ (একত্ববাদ )ও আনুগত্যের সাথে এর আল্লাহর নিকট পূর্ন আত্নসমর্পন করা শিকড় ও তার অনুসারীদের থেকে সম্পর্কচ্ছেদ ঘোষনা করা। এর রুকন বা স্তম্ভ হচ্ছে পাৰ্চটি। নবী  (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেন , "ইসলামের ভিত্তি হচ্ছে পাঁচটি: ১) কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করা। অর্থা -সাক্ষ্য দেয়া যে ,আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোন উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ  (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আল্লাহর রাসুল।২) ছালাত (নামাজ ) প্রতিষ্টা করা। ৩) যাকাত প্রদান করা ৪) হজজ পালন করা। ৫) রামাযানের ছিয়াম (রোযা ) রাখা। " (বুখারী ও মুসলিম ) 
  7. ঈমান কাকে বলে ? ঈমানের রুকন কয়টি ও কি কি ? ইয়ামন হল- মুখে উচ্চারণ, অন্তরে বিশ্বাস ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে কাজে প্রিন্ট করা। আনুগত্য ও সৎ আমলের মাধ্যমে ঈমান বাড়ে এবং পাপাচার ও নাফরমানীর কারনে ঈমান কমে যায়।                                                                                                  আল্লাহ বলেন "যাতে করে তাদের ঈমানের সাথে আরো ঈমান বেড়ে যায়। "  আবু হুরায়রা (রা:) হতে বর্নিত। রাসূলুল্লাহ  (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )বলেন:                                                                        "ঈমানের শাখা সত্তর অথবা ষাটের অধিক। এর মধ্যে সর্ব্বোচ শাখা হলো-"লাইলাহা ইল্লাল্লাহ" [অর্থাৎ আল্লাহ ব্যতীত (সত্য )কোন উপাস্য নেই ] মুখে উচ্চারণ করা। আর সর্র নিম্ন সাহেলা হলো-রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্ত্ত অপসারণ করা। লজ্জাবোধ ঈমানের (অন্যতম ) একটি শাখা। " (মুসলিম)                                                  ঈমান কম বেশী হওয়ার বিষয়টি একজন মুসলিম নেক কাজের মওসুম আসলে সৎকাজে তৎপর হওয়া আর গুনাহের কাজ করে ফেললে নিজের মধ্যে সংকীর্নতা অনুভব করার মাধ্যমে নিশ্চিত ভাবে বুঝতে পারে ও নিজেরে মধ্যে অনুভব করতে পারে। আল্লাহ বলেন,"নিশ্চয় নেক কাজ অসৎ কাজের গুনাহকে দূর করে দেয়। " (সূরা হূদ: ১১৪)                                                                                                                            ঈমানের রুকন ছয়টি: দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস স্হাপন করা: ১) আল্লাহ পাকের উপর ২) তাঁর ফেরেশতাদের উপর ৩) তাঁর কিতাব সমূহের উপর ৪) তার রাসূলদের উপর ৫) আখিরাত বা শেষ দিবসের উপর এবং ৬) তাকদীরের ভাল-মন্দের উপর। "(মুসলিম )
  8. (লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ )অর্থ কি? ল্লাহ ব্যতীত সত্য কোন উপাস্য নেক।অর্থ্যাৎ-আল্লাহর ব্যতীত অন্য সকলের জন্য ইবাদতের যোগ্যতাকে অস্কীকার করা এবং যাবতীয় ইবাদতকে এককভাবে আল্লাহর জন্য সাব্যস্ত করা। 
  9. আল্লাহ কি আমাদের সাথে আছেন ?হ্যাঁ আল্লাহ তার জ্ঞান,দৃষ্টি,শ্রবণ,,সংরক্ষণ ,ক্ষমতা ও ইচ্ছা প্রভৃতির মাধ্যমে আমাদের সাথে আছেন। কিন্তু তার সত্বা কোন সৃষ্টির মাঝে মিশতে পারে না। অথাৎ -আল্লাহ নিজ সত্বায় আমাদের সাথে আছেন একথা বিশ্বাস করা যাবে না। তাছাড়া সৃষ্ট কুলের কেউ তাকে বেষ্টন করতে পারে না। তিনি স্বসত্বায় সপ্তাকাশের উপর সুমহান আরশে বিরাজমান। 
  10. আল্লাহ কে কি চর্ম চক্ষু দ্বারা দেখা সম্ভব।?মুসলিমগণ একথার উপর একমতযে,দুনিয়াতে আল্লাহকে চর্ম চক্ষু দ্বারা দেখা সম্ভব নয়। কিন্তু মুমিনগণ পরকালে হাশরের মাঠে ও জান্নাতে আল্লাহকে দেখবেন। আল্লাহ বলেনঃ "সে দিন কিছু মুখমন্ডল উজ্জ্বল হবে , তারা প্রতিপালক (আল্লাহকে ) দেখবে। "
Continue 
Share This
Previous Post
Next Post

Pellentesque vitae lectus in mauris sollicitudin ornare sit amet eget ligula. Donec pharetra, arcu eu consectetur semper, est nulla sodales risus, vel efficitur orci justo quis tellus. Phasellus sit amet est pharetra

0 মন্তব্য(গুলি):

thank you for comment

Read More Post