Saturday, 17 March 2018

Health Benefits of Radish (মুলোর মূল্য অনেক ):

মুলোর মূল্য অনেক :
মুলো প্রতিদিনের আটপরে সস্তা তরকারি।  সস্তা ও সুলভ বলেই কিন্তু হেলাফেলার নয়।-মুলোর অনেক গুন্ ,অনেক রোগ সারাবার ক্ষমতা রয়েছে।
মূল হল একটি জনপ্রিয় মূলজ সবজি। এটি শীতের ঠিক আগের সময় থেকে বাজারে ওঠে। যদিও বর্ষাকালেও  এর চাষ হচ্ছে। মাটির নিচে থাকা স্ফীত মূল বা শিকড়কেই আমরা মুলো হিসাবে খাই। তবে বেশি দেরি করে মাঠ থেকে তুললে এতে আঁশ বা ছিবড়ে বেশি হয়ে যাবে এবং খাওয়া যাবে না।  বলা হয় এ জন্য মাঘ মাসে মুলো খেতে নেই। কেবল নরম শাঁস সবজি হিসাবে খাবেন। এর বিঞ্জান সম্মত নাম হল -রাফান্যাস স্যাটাইভাস।
পুষ্টিগুণ :
মুলো কিন্তু একটি পুষ্টিকর সবজি।
বাজারে কম দামে এবং খুব সহজেই েকে পাওয়া যায়।  এর ১০০ গ্রাম খাদ্যউপযোগী অংশে পাবেন ----

কার্বোহাইড্রেট -৩.৪ গ্রাম                                                                      লোহা -০.৪মিগ্রা
প্রোটিন -০.৭ গ্রাম                                                                                ক্যালসিয়াম -৫০মিগ্রা
ফ্যাট -০.১ গ্রাম,                                                                                  ফসফরাস -২২ মিগ্রা
ভিটামিন-'এ '-০.০আই.ইউ                                                                   পটাসিয়াম -১৩৮ মিগ্র.
আঁশ -০.৮ গ্রাম .                                                                                 ভিটামিন -'সি '-১৫মিগ্রা.
রিবোফ্ল্যাবিন -০.১১মিগ্র .                                                                     নিকোটিনিক অ্যাসিড -০.৯ মিগ্রা .
উপকারিতা :
  • দুপুর বা রাত্তিতে গুরুপাক ভোজনের পরে মুলোর রসের পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খেলে পিটার ব্যাথা ও গ্যাস কমে যায়। 
  • ভাত ,রুটি খোয়ার সঙ্গে কাঁচা মুলো নুন দিয়ে খেলে রুচি বাড়ে। 
  • কচি মুলোর স্যালাড খেলে খিদে বাড়ে যায়। 
  • মুলোর মধ্যে আছে জ্বর সরারবার গুন্। 
  • পিলের রোগে পরম উপকারী।
     
  • শীতকালে কাঁচা মুলো খেলে কাজে উৎসাহ বাড়ে ,খাবার সহজে হজম হয় এবং শরীরে পুষ্টি হয়।
     
  • মুলোর শাক বেশি মাত্রায় খেলে প্রস্রাব ও মূল পরিষ্কার হয়ে গিয়ে শরীরের গ্লানি বেরিয়ে যায়। 
  • অর্শ রোগীরা মুলোর পাতা বা মুলোর শাকের রস খেলে উপকার পাবেন। 
  • মুলোর চেয়ে মুলোর শাকেরে গুন্ বেশি। মুলোর শাক সহজে হজম হয় ও খাওয়া দাওয়ায় রুচি বাড়ায়। 
  • শুকনো মুলোর ঝোল রান্না করে এক ঘন্টা অন্তর আধকাপ করে গরম গরম পান করলে খিঁচুনি সারে। 
  • মুলো আর তিল একসঙ্গে মিশিয়ে বেটে খেলে শরীর -ফোলা কমে আর যদি ত্বকের নিচে কোনো কারনে জল জমে তাও সেরে যায়। 
  • শুকনো মুলোর স্যুপ খাওয়ালে এবং শুকনো মুলো একটা কাপড়ের পুঁটুলিতে বেঁধে তার সেঁক দিলেও অর্শের কষ্টে আরাম পাওয়া যায়। 
  • মুলোর পাতার রসে সোডি -বাই -কার্ব মিশিয়ে খাওয়ালে প্রস্রাব পরিষ্কার হয় এবং কোনো কারনে প্রস্রাব জমে থাকার কষ্টদূর হয়। 
Share This
Previous Post
Next Post

Pellentesque vitae lectus in mauris sollicitudin ornare sit amet eget ligula. Donec pharetra, arcu eu consectetur semper, est nulla sodales risus, vel efficitur orci justo quis tellus. Phasellus sit amet est pharetra

0 মন্তব্য(গুলি):

thank you for comment

Read More Post