Friday, 23 March 2018

Benefits of Bitter Gourd (উচ্ছে -করলা উপকারিতা) :


হ্যালো কেমন আছেন আপনারা ভালো তো ,আশাকরি সবাই ভালো আছেন। আজ আপনাদের একটি পরিচিত সবজি সমন্ধে বলবো এটি  আমরা সচারচর বাজারে অথবা গ্রামের জমিতে দেখতে পাই সেটা হচ্ছে উচ্ছে ও করেলা। এই সবজির যে কি গুন্ আছে চলুন সেটা যেন নেওয়া যাক। উচ্ছে ও করলা হল গরম ও বর্ষাকালের সবজি। উচ্ছে হল গোলাকার এবং মোটামাপের। আবার করলা হল লম্বাটে এবং আকারে অনেক বড়। এদের বিজ্ঞান সম্মত নাম একটিই এবং সেটা হল-মমরডিকা করনটিয়া। উচ্ছে এবং করলা স্বাদে তেঁতো। এটি হল শরীরের পক্ষে অত্যন্ত উপকার সবজি। 
পুষ্টি গুন্ :
পুষ্টি বিজ্ঞানীদের কথায় প্রতি ১০০ গ্রামে আছে --
করলা                                                                       উচ্ছে 
কার্বোহাইড্রেট -৪.২ গ্রাম                                           ৯.৮ গ্রাম 
প্রোটিন -১.৬ গ্রাম                                                   ২.১ গ্রাম 
ফ্যাট -০.২গ্রাম,                                                       ১.০ গ্রাম  
আঁশ - ০.৮ গ্রাম                                                    ০.৭ গ্রাম                      ভিটামিন-'এ '-৮৮ আই.ইউ                                     ২১০ আই.ইউ            থায়ামিন -.০৭মিগ্রা.                                              .০৭ মিগ্রা                     লোহা -১.৮মিগ্রা                                                   ৯.৪ মিগ্রা 
ক্যালসিয়াম -২০মিগ্রা                                            ৫০ মিগ্রা                 ফসফরাস -৭০ মিগ্রা                                            ১৪০ মিগ্রা 
পটাসিয়াম -১৫২ মিগ্র.                                          ১৭১ মিগ্রা 
 ভিটামিন -সি -৮৮মিগ্রা.                                     ৯৬ মিগ্রা 
নিকোটিনিক অ্যাসিড -০.৫ মিগ্রা .                         ০.৮ মিগ্রা                                                        
   উপকারিতা : 
  • করলা পাতার রস নুন মিশিয়ে খাওয়ালে পিত্তের বিষ , বমন ও মলত্যাগ দ্বারা বেরিয়ে যায় 
  • করলার পাতা মূত্র বৃদ্ধি করে।, জ্বর সারায় নাশ করে। ওষুধ হিসেবেও এর অনেক গুন্ আছে। 
  • বিখ্যাত প্রাচীন বেদ্য সুশ্রুতের মতে করলার পাতা জোলাপের কাজ করে এবং প্রয়োজনে বমিও করায়। 
  • ম্যালেরিয়ায় করলা পাতার রস শরীরে লাগালে এবং তিনটি করলার পাতা ও তিনটি আস্ত গোলমরিচ একসঙ্গে পিষে নিয়ম করে কিছু দিন খেলে উপকার পাওয়া যায়। 
  • অম্লপিত্তের জন্যে যদি ভাত খাওয়ার পরই বমি হয়ে যায় তাহলে করলার ফুল বা পাতা ভেজে বা কাঁচা নুন মিশিয়ে খেলে তা নিবারণ হয়। 
  • তিনটি করলার বিচি ও তিনটি গোলাকার একসঙ্গে অল্প জল দিয়ে পিসেও একটু একটু করে বাড়ে বাড়ে খাওয়ালে বাচ্চাদের বমি বন্ধ হয়। 
  • দশ চা চামচ করলা পাতার রসে একটু হিং মিশিয়ে খাওয়ালে প্রস্রাব পরিষ্কার হয়ে যায়। কোনো কারনে প্রস্রাব বন্ধ হয়ে গেলে এটা ওষুধ হিসেবে প্রয়োগ করা যায়। 
  • কচি করলা টুকরো করে কেটে ছায়ায় শুকিয়ে নিয়ে মিহি করে পিষে চার মাস ধরে সকালে ও সন্ধ্যে বেলার নিয়মিত দু চা চামচ করে এই চূর্ন খেলে ডায়বেটিস নিশ্চয় সারবে। সেই সঙ্গে অবশ্য ডায়বেটিসের খাওয়া -দাওয়া বিধি নিষেধ মেনে চলতে হবে। এই ভাবে করলা -চূর্ন খেলে প্রসাবের সঙ্গে শর্করা বা চিনি মিশিয়ে নিয়মিত খেলে অর্শ ও অর্শ থেকে রক্ত পড়া বন্ধ হয়। 
>>>যদি  এই লেখাটি পড়ে  আপনার ভালো লেগে থাকে বা কোনো উপকারেআসে ,তাহলে  আপনার ফেসবুকে অথবা টুইটারে শেয়ার করতে ভুলবেন নানিচের অপশন থেকে সরাসরি আপনার ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করুন পোস্টটি >>>

Share This
Previous Post
Next Post

Pellentesque vitae lectus in mauris sollicitudin ornare sit amet eget ligula. Donec pharetra, arcu eu consectetur semper, est nulla sodales risus, vel efficitur orci justo quis tellus. Phasellus sit amet est pharetra

0 মন্তব্য(গুলি):

thank you for comment