Tuesday, 20 February 2018

Light exercise for milk baby is very beneficial(দুধের শিশুর পক্ষে হালকা ব্যায়াম অতি উপকারী ):--


দুধের শিশুর পক্ষে হালকা ব্যায়াম অতি উপকারী :--

শিশুর হালকা ব্যায়াম মানে খুব আলতোভাবে তার শরীরে হাত বুলানো ,হাত পা নাড়ানো।  তাছাড়া ডাক্তার বা নার্স আপনাকে  দেখিয়ে দেবেন কিভাবে দুগ্দ্ধপান শিশুর ব্যায়াম ও অঙ্গমর্দন করতে হয়।  ব্যায়াম করবেন হালকা ভাবে খুব সতর্কতার সাথে।  শিশুর সাথে মিষ্ট কথা বলবেন সোহাগ বিজড়িত কণ্ঠে -----যাতে সে হাসে , আপনার সোহাগ যেন তার ভাল লাগে।  তাকে কোলে নিয়ে চুম্বন করবেন।  গান গাইতে গাইতে হালকাভাবে দোলাবেন দোলানোও একপ্রকার ব্যায়াম। প্রথম প্রথম ৪/৫ মিনিট পরে ১০/১২ মিনিট। তবে খাওয়ানোর দেড় ঘন্টা পরে বা আধ ঘন্টা আগে।  তও দিনের প্রথমাংশে অর্থাৎ সকালের দিকে এভাবে নাড়াচড়া বা ব্যায়াম করাবেন। রাত্রিতে ব্যায়াম সম্পূর্ণ নিষেধ ,তাতে তার ভালো ঘুম হবে না। ব্যায়াম শেষ হলে যথারীতি তাকে শুইয়ে দেবেন।  ব্যায়ামে শিশুর মাংসপেশি আর গ্রন্থিগুলো সতেজ হবে, ফুসফুস বিকাশ লাভ  করবে -পাকস্থলী ভাল কাজ করবে।  খাওয়ার প্রতি তার আগ্রহ থাকবে। দুবছর পূর্ণ হওয়ার আগে শিশুরা অবশ্য মা-বাবার নির্দেশে ব্যায়াম করতে সক্ষম নয়।  তাদের আগে থেকে দেখিয়ে দিতে হয় কিভাবে ও কী কী ব্যায়াম করা দরকার।  তাদের কাছে ব্যায়াম হচ্ছে একধরনের খেলা।
টুলের ওপর বা টেবিলের প্রান্তে কোন খেলনা রাখুন এবং তা নেওয়ার জন্য শিশুকে  সমস্ত শক্তি দিয়ে চেষ্টা করতে দিন। অথবা মেঝেতে কিছু খেলনা ছড়িয়ে দিন। তারপর বলুন খেলনা গুলো খুব অবাধ্য ,পালিয়ে গেছে ওদের ধরে নিয়ে এসো।  শিশু সানন্দে খেলনাগুলো তুলতে থাকবে ও সেগুলোকে কুড়িয়ে নিয়ে আপনার কাছে ছুটে আসবে। মাটিতে বা মেঝেতে ৩০-৪০ সেন্টিমিটার চওড়া পি ৩ মিটার লম্বা একটি পথ একে দিন। তার ওপর দিয়ে হাটতে বলুন।
            শিশু যখন ব্যায়াম ও খেলে ধুলা করে  তখন আপনাকে কেবল নির্বাক দর্শক হলে  চলবে  না  খেলার সক্রিয় সাথী ও শরিক হতে হবে।
        বাবা শিশুকে  বগলে ধরে কয়েকবার তার মাথার ওপর তুলবেন  ----প্রথমে ধীরে ধীরে , পরে  দ্রুত গতিতে। তখন শিশুর পিঠে  ও ঘাড়ের পেশিতে  চাপ পড়বে , মেরুদন্ড সোজা রাখা  অবস্থায় সে তার হাতগুলো সামনের দিকে ছড়িয়ে দিয়ে অবশ্যই আনন্দ উপভোগ করবে ও হাসবে। চিৎ হয়ে শুয়ে থাকা শিশুকে পায়ের গোছাধরে ধীরে ধীরে উপরের তোলা হয়। তখন তার মাথা আপনা থেকেই তার পিঠের দিকে চলে যেতে থাকে। মাথা শূন্যে উঠে গেলে সে  হাত দুটি নিচের দিকে বাড়িয়ে দেয় এবং মাদুরের ওপর ভর দেওয়ার চেষ্টা করে। তারপর তার পা -গুলো বিপরীত দিকে নামিয়ে দেওয়া হয় ,শিশু তখন উপুড় হয়ে থাকে।  এইরূপ ডিগবাজি নীতির সমন্বয় সাধন ষ্গিসুর ক্ষমতা বিকাশে তাকে খুবই সাহায্য করে।
                     তিন বছরের বেশি বয়সের  শিশুরা ঝুলন্ত অবস্থায় ব্যায়াম করতে পারে। ঐ সমস্ত ব্যায়াম বিশেয় উপকারী। তা তাদের পিঠ ও হাতের পেশী মজবুত করে ,ভারসাম্যতা গড়ে তোলে ও তাদের সাহসী করে।  আপনি নুয়ে পড়ে শিশুকে আপনার গলাটি জড়িয়ে ধরার সুযোগ করে দিন। তারপর সোজা হয়ে দাঁড়ালেই সে শূন্যে ছুলতে থাকবে।
এভাবে শিশুদের যদি খেলার ছলে ব্যায়াম করবেন  তাহলেই বাচ্চারা আনন্দের সাথে খেলা ভেবে করতে থাকবে  এবং তাদের মনের মধ্যে প্রশান্তির বিকাশ ঘটবে। তাই বন্ধুরা আজ কে  এই পর্যন্ত আমি আবার আসবো অন্য এক আলোচনা নিয়ে। 


>>>যদি  এই লেখাটি পড়ে  আপনার ভালো লেগে থাকে বা কোনো উপকারে আসে ,তাহলে  আপনার ফেসবুকে অথবা টুইটারে শেয়ার করতে ভুলবেন না নিচের অপশন থেকে সরাসরি আপনার ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করুন পোস্টটি >>>


Share This
Previous Post
Next Post

Pellentesque vitae lectus in mauris sollicitudin ornare sit amet eget ligula. Donec pharetra, arcu eu consectetur semper, est nulla sodales risus, vel efficitur orci justo quis tellus. Phasellus sit amet est pharetra

0 মন্তব্য(গুলি):

thank you for comment