Thursday, 11 January 2018

Benefits Of Camphor(কর্পূরের উপকারিতা ও ব্যবহার )


কর্পূরের উপকারিতা  ব্যবহার সম্পর্কে জেনে নিই চলুন
  1. জিভে  ঘ হলে  জলের সঙ্গে গুলে জিভে বা মুখ  ধুয়ে ফেললে জিভের ঘা  ভালো হয়। 
  2. জলের সঙ্গে কর্পূর মিশিয়ে মাথায় ঘষলে খুশকির  হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। 
  3. খড়ি গুঁড়োর কর্পূর মিশিয়ে চমৎকার দাঁতের মাজন হয়। 
  4. সর্দি ও জ্বরের পক্ষে কর্পূর তেল খুব ভাল।  ৫০ গ্রাম সরষের টেলি ২০ গ্রাম কর্পূর মিশিয়ে তেল তৈরি হয়। 
  5. বাগানে কর্পূর মিহিগুঁড়ো করে ছড়িয়ে দিলে অনেক পোকা মাকড়ের হাত থেকে নিশ্চিত উপকার পাওয়া যায়।  গাছের কোনো ক্ষতি হয় না। 
  6. বর্ষাকালে ঘন্টাখানেক দরজা জানালা বন্ধ থাকলে ঘরে যে দুর্গন্ধ হয় সেই গন্ধের হাত থেকে মুক্তি পেতে হলে ঘরের কোনে  এক টুকরো কর্পূর ছড়িয়ে রাখতে হবে.
  7. যে আলমারিতে রুপোর বাসন থাকে তাতে এক টুকরো কর্পূর রেখার দিলে রুপোর পালিশ চকচকে থাকবে। 
  8. জানালার কাঁচ পরিষ্কার করতে কর্পূর আদর্শ জিনিস
এছাড়াও কর্পূর বাহ্যিকভাবে ব্যবহার :--

ত্বকের সমস্যায়: 
আপনার যদি চুলকানি ্যাশের সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে কর্পূর হতে পারে এর প্রতিকার। এক টুকরো এডিবল কর্পূর নিন এবং সামান্য পানির সাথে মেশান। আক্রান্ত স্থানটি এই দ্রবণ দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আস্তে আস্তে চুলকানি কমে যাবে। কিন্তু কখোনোই কাটা বা ক্ষতে কর্পূর ব্যবহার করবেন না। কারণ কর্পূর রক্তের সাথে মিশে গেলে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে

ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরার ব্যবহার :-

২। প্রেগন্যান্ট নারীর জন্য
অনেক প্রেগন্যান্ট নারীর পায়ের পেশীতে সংকোচনের সমস্যা হয়। সরিষার তেল বা নারিকেল তেলের সাথে সিনথেটিক কর্পূর দিয়ে তাপ দিন যতক্ষণ না পুরোপুরি মিশে যায়। তারপর মিশ্রণটির তাপমাত্রা কমলে কুসুম গরম অবস্থায় পায়ে মালিশ করুন

অনিয়মিত মাসি কেন হয় ও তার ভেষজ উপায়

৩। ব্রণ ব্রণের দাগ নিরাময়ে
কয়েক ফোঁটা ভালমানের কর্পূর এসেনশিয়াল অয়েল অন্য একটি তেলের সাথে মিশিয়ে ব্রণ আক্রান্ত ত্বকে মালিশ করলে ব্রণ ব্রণের দাগ দূর হয়। তবে মনে রাখবেন কখোনোই কর্পূর এসেনশিয়াল অয়েল সরাসরি ত্বকে লাগাবেন না। এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল, নারিকেল তেল বা আমন্ড তেলের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করবেন

১ দিনেই সারিয়ে তুলুন ব্রণ !

৪। শিশুর ঠান্ডায়
শিশুর বুকে কফ জমে গেলে তা দূর করতে সাহায্য করে কর্পূর। সরিষা বা নারিকেল তেলের সাথে সামান্য কৃত্রিম কর্পূর মিশিয়ে তাপ দিন। উষ্ণ অবস্থায় এই তেলের মিশ্রণটি শিশুর বুকে পিঠে মালিশ করুন
৫। চুল পরা রোধে খুশকি দূর করতে:
আপনি নিয়মিত মাথায় যে তেল ব্যবহার করেন তার সাথে কর্পূর এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করলে চুল পরা কমে। চুলে শ্যাম্পু করার আগে এই তেলের মিশ্রণ মাথার তালুতে চুলে ব্যবহার করুন। এটি খুশকি নিরাময়েও সাহায্য করবে 

কোঁকড়া চুল সোজা করার সহজ উপায়:-


>>>যদি  এই লেখাটি পড়ে  আপনার ভালো লেগে থাকে বা কোনো উপকারে আসে ,তাহলে  আপনার ফেসবুকে অথবা টুইটারে শেয়ার করতে ভুলবেন না নিচের অপশন থেকে সরাসরি আপনার ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করুন পোস্টটি >>>



Share This
Previous Post
Next Post

Pellentesque vitae lectus in mauris sollicitudin ornare sit amet eget ligula. Donec pharetra, arcu eu consectetur semper, est nulla sodales risus, vel efficitur orci justo quis tellus. Phasellus sit amet est pharetra

0 মন্তব্য(গুলি):

thank you for comment

Read More Post