Thursday, 14 December 2017

জেনে নিন পিৎজা সমন্ধে ও তার সুখ্যাতি হওয়ার সেই ইতিহাস ও বিশেষ কিছু তথ্য

জেনে নিন পিৎজা সমন্ধে ও তার সুখ্যাতি হওয়ার সেই ইতিহাস ও বিশেষ কিছু তথ্য:-পিৎজা নামটা শুনলে জিভে জল আসতে বাধ্য। এ হেন সুস্বাদু তথা লোভনীয় খাবারটির জুড়ি মেলা ভার। শুধু স্বাদেই নয় খাদ্যগুণেও এটি অনন্য। 
ইতিহাস বলছে, গোড়ায় কেবল গরীব-গুর্বোরাই খেতেন ইতালিয়ান এই খাবারটি যা আজ মেলে বহুজাতিক সংস্থাগুলির ঝাঁ-চকচকে শোরুমগুলিতে শোনা যায়, ব্রোঞ্জ যুগের আগেও পিৎজা খাওয়ার চল ছিল তবে নবরূপে আত্মপ্রকাশ ১৮ শতকেফুটপাতিয়াখাবারটিকে বিশ্বের প্রথমসারিতে তুলে নিয়ে আসার কৃতিত্ব প্রাপ্য ইতালির মহারাণী মার্গেরিত্তারই কথিত আছে ১৮৮৯ সালে তিনি স্বামী সাভিয়ার মহারাজা প্রথম উমবের্তোর সাথে রাজ্য পরিদর্শনে বেরিয়ে নেপলসের পথে শয়ে-শয়ে দীন-দরীদ্রদের হাতে মিষ্টিজাতীয় একধরণের গোল পাতলা রুটি দেখেছিলেন যাকে তাঁরাফোকাসিয়াবলে চিহ্নিত করছিলেন ৯৯৭ অব্দেই যার নামকরণ হয়পিৎজা খাবারটি দেখেই লোভ হয় রাণীর তাই রাজভবনে ডাক পরে তৎকালিন শ্রেষ্ঠ পিৎজা প্রস্তুতকারী ্যফেল এসপেসিত্তোর সেখানে তিন ধরণের পিৎজা বানিয়েছিলেন তিনি তারমধ্যে একটি পিৎজাকে টমেটোর পাশাপাশি সর্বপ্রথম মোজরিলা চিজ বাসিল নামক এক শাক দিয়ে ইতালিয়ান পতাকার রঙে রাঙিয়ে তুলেছিলেন সেই থেকে প্রিয় রাণীর পথ অনুসরণ করেই পিৎজার স্বাদ চাখতে শুরু করে আপামর ইতালিবাসী যা পরবর্তীকালে ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিশ্বে গোড়ায় বাড়িতে বানানো হওয়ার পর ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম পিৎজা স্টোরটি খোলা হয়েছিল ১৮৩০ সালে ইতালির পোর্তালোবায় তবে স্থানভেদে পছন্দের রকমফেরও রয়েছে যেমন নেদারল্যান্ডের বাসিন্দাদের পছন্দ অন্য পিৎজার তুলনায় দ্বিগুণ পরিমাণ মাংস, চিজ, পিঁয়াজ দিয়ে তৈরিডবল ডাচ পিৎজা পিৎজা সংস্কৃতির একটি দস্তুর রয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ে বাড়িতে পিৎজা পৌঁছানো জানলে অবাক হবেন, একবার সাউথ আফ্রিকার কেপটাউন থেকে পিৎজা পৌঁছায় অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে এখনও পর্যন্ত এটাই সবচেয়ে দূরে পাঠানো পিৎজা আর সময়? মাত্র ৩২.২৮ সেকেন্ডে তিনটি পিৎজাই বানানোটাই এখনও পর্যন্ত কম সময়ে পিৎজা বানানোয় রেকর্ড আর দাম? বিশ্বে সবচেয়ে দামি পিৎজাটির দাম হাজার ৭৪৫ মার্কিন ডলার এই ডোমেনিকা ক্রোলাটি ভ্যালেন্টাইনস ডে উপলক্ষে বানানো হয়েছিল
Share This
Previous Post
Next Post

Pellentesque vitae lectus in mauris sollicitudin ornare sit amet eget ligula. Donec pharetra, arcu eu consectetur semper, est nulla sodales risus, vel efficitur orci justo quis tellus. Phasellus sit amet est pharetra

0 মন্তব্য(গুলি):

thank you for comment