Wednesday, 6 December 2017

চলে গেলেন শশী কাপুর ,টুকরো টুকরো নানান কথা তুলে ধরেছেন মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চন।

চলে গেলেন শশী কাপুর ,টুকরো টুকরো নানান কথা তুলে ধরেছেন মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চন:-

মুম্বই, ৫ ডিসেম্বর (পিটিআই): একরাশ স্মৃতি! ভাবলেই ভারাক্রান্ত হয়ে উঠছে মন। তবু ব্যক্তিগত ব্লগে প্রিয় শশীজির স্মৃতিচারণায় টুকরো টুকরো নানান কথা তুলে ধরেছেন মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চন। বলিউডের ‘হ্যান্ডসাম’ নায়ক শশী বিগ বি’কে আদর করে ডাকতেন বাবুয়া। দিওয়ার, কালাপাত্থর, ত্রিশূল, সুহাগ, শান, সিলসিলা, শক্তি সহ ১৪টি ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেছেন দু’জন। রুপোলি পর্দায় কখনও ভাই, কখনও আবার বন্ধুর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন দু’জন। রিয়েল লাইফেও এই দুই অভিনেতা ছিলেন দুই ভাইয়ের মতোই। শেষ দিন পর্যন্ত তা অটুট ছিল। তাঁর চেয়ে বছর চারেকের বড় শশী কাপুরের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করতে গিয়ে এভাবেই শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অমিতাভ। তিনি জানিয়েছেন, ‘লিখতে বসে অনেক কথাই এখন মনের মধ্যে ভিড় করছে। ভাবতাম, ইন্ডাস্ট্রিতে এমন বড়মাপের অভিনেতা থাকায় বলিউডে আমার অভিনেতা হওয়ায় স্বপ্ন কী সফল হবে? এমন ঝাঁ চকচকে গ্ল্যামারের সামনে কি আমি দাঁড়াতে পারব?’ কিন্তু, প্রথম সাক্ষাতের পরই অমিতাভ বুঝতে পারেন কত বড় মনের মানুষ শশী। দু’জনের প্রথম পরিচয়ের দিনটিও নিজের ব্লগে তুলে ধরেছেন বিগ বি। একটা মার্সিডিজ স্পোর্টস কার-এর সামনে এক সৌম্যদর্শন সুঠাম পুরুষ দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাঁর শরীরী ভাষায় ফুটে উঠছে বিশ্বের কাউকে তোয়াক্কা না করার ভাব। ওঁকে দেখে মন্ত্রমুগ্ধ না হয়ে পারা যায় না। শেষপর্যন্ত শশীর এই সুদর্শন চেহারাই মনের মণিকোঠায় রেখে দিতে চেয়েছিলেন অমিতাভ। তাই, এবার অসুস্থ শশীকে দেখতে কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতালে যাননি। তিনি জানিয়েছেন, ‘এর আগে যখন তিনি কোকিলাবেন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, তখন ওঁকে দেখতে গিয়েছিলাম। কিন্তু, তারপর আর যাইনি। ঠিকই করেছিলাম, যাব না। প্রিয় বন্ধু ও পরমাত্মীয়কে হাসপাতালের বিছানায় এভাবে, এই অবস্থায় দেখতে কিছুতেই মন মানছিল না। আমাকে যখন ওঁর মৃত্যুর খবর জানানো হল, তখনও যাইনি।’ ওই দুষ্টু হাসি, ওই চোখ পিটপিট করে কথা বলা, ওই অনবদ্য কণ্ঠস্বর কী কখনও ভোলা যায়! 
অভিনয় জীবনে শশীর থেকে অনেক কিছু শিখেছেন, জেনেছেন। প্রসঙ্গত, আজুবা’য় (১৯৯১) পরিচালক শশীর নির্দেশনায় প্রথম ও শেষবার অভিনয় করেছেন অমিতাভ। অমিতাভ জানিয়েছেন, নিজেকে কীভাবে মেলে ধরতে হয়, তা অগ্রজ তারকার থেকেই শিখেছেন তিনি। শশীর শেখানো ছকই এখনও অনুসরণ চলেছেন। নিজের ব্লগে অকপটেই জানিয়েছেন সে কথা। এমনকী স্মৃতিচারণায় উঠে এসেছে শশীর অনুপ্রেরণায় কান ঢাকা চুল রাখার কথাও। অমিতাভ লিখেছেন, শশী একদিন বলেন, তুমি কান ঢাকা চুল রাখার কথা ভাবতে পারো। এরপরই আমি তাজ হোটেলের হেয়ার ড্রেসার হাকিমের কাছে যাই। আজ অবধি চুলের সেই স্টাইলই রয়ে গিয়েছে।’ দুঃখের বিষয়, শুধু শশীজিই চলে গেলেন!
Share This
Previous Post
Next Post

Pellentesque vitae lectus in mauris sollicitudin ornare sit amet eget ligula. Donec pharetra, arcu eu consectetur semper, est nulla sodales risus, vel efficitur orci justo quis tellus. Phasellus sit amet est pharetra

0 মন্তব্য(গুলি):

thank you for comment