Sunday, 17 December 2017

জেনেনিন কুরআন পাঠের নিয়ম কানুনঃ।

জেনেনিন  কুরআন পাঠের নিয়ম  কানুনঃ।
  1. কুরআন  পাঠের আদপ বা কায়দা :-ইমাম ইবনে কাছীর কুরআন পাঠের কিছু আদব উল্লেখ করেছেন। যেমনঃ ক ) পবিত্রতা অর্জন না করে কুরআন স্পর্শ করবেন  না বা তেলাওয়াত করবে না।   খ )কুরআন পাঠের পূর্বে মিসওয়াক করে নিবেন। গ ) সুন্দর পোশাক পরিধান করবে। ঘ ) কেবলা মুখী  হয়ে বসবে। ঙ ) হাই উঠলে কুরআন পড়া বন্ধ করে দিবে। চ ) বিনা প্রয়োজনে কুরআন পড়া অবস্থায় কারো সাথে কথা বলবে না। ছ ) মনোযোগ সহকারে কুরআন পাঠ করবে। জ ) ছওয়াবের আয়াত পাঠ করলে থামবে ও উক্ত ছওয়াব আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবে। ঝ ) কুরআনকে খুলে রাখবে না  বা ওর উপর কোনো কিছু চাপিয়ে রাখবে না। ঞ) অন্যের ব্যাঘাত সৃষ্টি হয় এমন উচ্চ আওয়াজে কুরআন পড়বে না। ট )বাজারে বা এমন স্থানে কুরআন পড়বে না যেখানে মানুষের আজে -বাজে কথা -কাজে লিপ্ত থাকে। 
  2. কিভাবে কুরআন পাঠ করবে ? আনাস বিন মালেক ( রাঃ ) কে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর কুরআন পাঠের ফজিলত সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন ,"তিনি টেনে পড়তেন। "বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম "পাঠ করার সময় "বিসমিল্লাহ "টেনে টেনে পড়তেন ,"আর রহমান "টেনে পড়তেন ,"আর রহীম "টেনে পড়তেন। "(বুখারী)
  3. দিনে ও রাতে কতটুকু কুরআন পাঠ করবে : নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর  সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ )  প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমান কুরআন তেলাওয়াত করতেন। তাঁদের সাত দিনের কম সময়ে কুরআন খতম করতেন না। বরং তিন দিনের কম সময়ে কুরআন খতম করার ব্যাপারে হাদীছে নিষেধাজ্ঞা এসেছে। 
                   অতএব  সম্মানিত পাঠক !আপনার সময়ের নির্দিষ্ট একটি অংশ কুরআন পাঠের জন্য নির্ধারণ করুন। যত ব্যস্ত থাকুন না কেন নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট  অংশ টুকু পড়ে নিতে সচেষ্ট হোন। কেননা সর্বদা  যে কাজ সর্বাদ করা হয় তা অল্প হলেও বিচ্ছিন্ন ভাবে বেশি কাজ করার চেযে উত্তম। যদি কখনো উদাসীন হয়ে পড়েন বা ভুলে যান তবে পরবর্তী দিন তা পড়েফেলবেন।নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেন "কোনো মানুষ যদি কুরআনের নির্দিষ্ট অংশ না পড়েই  ঘুমিয়ে পড়ে তবে ফজর ও জোহর নামাযের মধ্যবর্তী সময়ে যেন তা পড়ে নেয়। তাহলে তার আমল নামায় উহা রাতে পড়ার মত ছোয়াব লিখে দেওয়া হবে। "(মুসলিম ) যারা কুরআন ছেড়ে দেয় বা কুরআন ভুলে যায় আপনি তাদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না। কুরআন তেলাওয়াত ,উহা তারতীলের (তাজবিদ ও সুন্দর কন্ঠের ) পাঠ করা বা কুরআন গবেষণা বা তদানুযায়ী ঝাড় -ফুঁক করা ইত্যাদি কোনো কিছুই পরিত্যাগ করবেন না।
        
Share This
Previous Post
Next Post

Pellentesque vitae lectus in mauris sollicitudin ornare sit amet eget ligula. Donec pharetra, arcu eu consectetur semper, est nulla sodales risus, vel efficitur orci justo quis tellus. Phasellus sit amet est pharetra

0 মন্তব্য(গুলি):

thank you for comment